বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

আবারও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের চেষ্টা, সীমান্তে সতর্ক বিজিবি

  • সময় শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

আলোকিত রিপোর্টঃ

গত দুই বছরে ১১ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের পরও যেন থামছে না রোহিঙ্গাদের এপারে আসা। টেকনাফ সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গারা আবারও নতুন করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার গভীর রাতে একটি নৌকায় ৬ রোহিঙ্গা টেকনাফের হ্নীলা নয়াপাড়া সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশকালে বিজিবি’র (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) বাধায় ফিরে যায়। এর দু’দিন আগেও ২২ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা চালালে বিজিবি তাদেরও প্রতিহত করে।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ-২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার।

তিনি জানান, শুক্রবার গভীর রাতে হ্নীলা নৌকায় করে নয়াপাড়া নাফ নদীর কুতুবদিয়া ঘাট এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে ৬ জন রোহিঙ্গা। এ সময় বিজিবির একটি টহলদল তাদের আটক করে। পরে গভীর রাতে আটক রোহিঙ্গাদের একই সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারে ফেরত পাঠায় বিজিবি। তাদের মধ্যে ৩ জন নারী ও ৩ জন শিশু ছিল।

মেজর শরীফুল ইসলাম বলেন, নতুন করে আর কোনো রোহিঙ্গা ঢুকতে দেওয়া হবে না। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও মাদক পাচার ঠেকাতে সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে থেকে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে বিজিবি।

টেকনাফ লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নেতা মোহাম্মদ আলম জানান, মিয়ানমারে থেকে যাওয়া রোহিঙ্গারা অনেকে দুঃখে-কষ্টে জীবনযাপন করছে। একটু উন্নত জীবন যাপন ও নিরাপত্তার আশায় রোহিঙ্গারা এখনও বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা চালিযে যাচ্ছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রবিউল হাসান বলেন, মাঝে মধ্যে সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে থাকে। তবে বিজিবি ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকায় অনুপ্রবেশ সম্ভব হয় না।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে ২৪ আগস্ট রাতে রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটলে তার প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর ব্যাপক নিপীড়ন শুরু করে। পরদিন ২৫ আগস্ট প্রাণ বাঁচাতে বানের স্রোতে মতো রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে থাকে। বর্তমানে উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ