বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

মোবাইলে জুয়া খেলা রোধে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

  • সময় শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ২১ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

আরিফুল ইসলাম,লামাঃ
মাননীয় লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর এ জান্নাত রুমি,লামা থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব অপ্পেলা রাজু নাহা। লামা উপজেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল মহোদয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,

লামা উপজেলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে চলছে, বিভিন্ন মার্কেট, ভাইয়া সুপার মার্কেট সহ সর্বত্র মোবাইলে সফট্ওয়ারের মাধ্যমে অবাধে চলছে জমজমাট লুডু/কেরকেড়ি জুয়া। এতে করে বিপথগামী হচ্ছে ছাত্র ও যুবসমাজসহ নানা পেশার মানুষ। কম সময়ে মোবাইলে সফট্ওয়ারের মাধ্যমে লুডু এবং কেরকেড়ি নামক জুয়া খেলা মারাত্নক আকার ধারণ করেছে। উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে শহর অঞ্চলে এ জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার ঘটেছে। যা কোন ভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে, বিশেষ করে চাম্বি মফিজ বাজার সহ দোকানে জমজমাট ভাবে চালানো হচ্ছে এই আধুনিক জুয়া খেলা। জমজমাট এই লুডু/ কেরকেড়ি নামক জুয়ায় ছাত্র ও যুব সমাজ নষ্টের পথে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। তারা ছাত্র সমাজ এবং যুব সমাজ বিপথগামীতা রোধে দ্রুত এসব জুয়া বন্ধের আহবান জানান।

সচেতন এক ব্যক্তি বলেন, মোবাইল জুয়া বন্ধে জনসচেতনা বাড়াতে হবে। সবাই যার যার জায়গা থেকে এটার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। নাম প্রকাশ না করার অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের এলাকার কিছু বকাটে যুবকের কারণে মোবাইলে লুডু/কেরকেড়ি নামক জুয়া খেলায় যুবসমাজ এবং ছাত্রসমাজ ধ্বংসের পথে হাটছে, এই মারাত্নক কায়দায় জুয়ার টাকা জোগাড় করতে জুয়াড়িরা প্রতিনিয়ত চুরি, ছিনতাইয়ের মত জগন্য আপরাধ সংঘটিত করছে।এই মার্কেটের কয়েকটা দোকানের পিছনে ঐসব নব্য জুয়াড়িদেরকে জায়গা দিয়ে তাদেরকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে কিছু অসাদু দোকানদার ব্যবসায়ী।

এইসব জুয়া খেলা বন্ধ করতে আপনাদের সহযোগিতা এবং আইনানুক পদক্ষেপ কামনা করছি।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ