বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৩:১২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

চুর, ডাকাত, চাঁদাবাজ, মটর চালকলীগের সভাপতি, ইয়াবা ডন দিদারকে বাচাঁতে কোটি টাকার মিশনঃ র‌্যাবের নজরদারী জরুরী

  • সময় মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

ভুয়া আওয়ামী সংগঠনের বিরুদ্ধে অ্যাকশনের নির্দেশ- প্রধানমন্ত্রীর

গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী   আওয়ামীলীগের নাম ব্যবহার করে ২৯৩টি ভুয়া সংগঠনের তালিকা আওয়ামী সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। এসব ভুয়া সংগঠনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- আওয়ামী নবীন লীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী সোনার বাংলা লীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী প্রচার লীগ, আওয়ামী তরুণ লীগ, ডিজিটাল লীগ, জয় বাংলা মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, বাংলা মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, নৌকা সমর্থক গোষ্ঠী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন লীগ,  বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মটর চালক লীগ, আওয়ামী মটর শ্রমিক লীগ, বাংলাদেশ রিকশা ভ্যান শ্রমিক লীগ, বঙ্গমাতা পরিষদ ইত্যাদি।

আলোকিত ক্রাইম প্রতিবেদকঃ

টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের নাম ব্যবহার করা ভুয়া সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে অ্যাকশন গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। টানা দশ বছর ক্ষমতায় থাকার ফলে বেশ কিছু সুবিধাভোগী গোষ্ঠী নানা নাম ও মোড়কে সংগঠন গড়ে তুলছে এবং তাদেরকে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন হিসেবে প্রচার করছে। সংগঠনগুলো বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি এবং দুষ্কর্ম করছে বলে গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে বেরিয়ে এসেছে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের ২৫/২ ধারায় সহযোগী সংগঠনের কথা বলা হয়েছে। এখানে স্বীকৃত যেসব সংগঠনের কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে, বাংলাদেশ আওয়ামী মহিলা লীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী কৃষক লীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, বাংলাদেশ তাতী লীগ ও বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ। এছাড়াও জাতীয় শ্রমিক লীগ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পৃথক গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদসহ কিছু পেশাজীবী সংগঠন রয়েছে যারা আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন না হলেও আওয়ামী লীগের স্বীকৃত সংগঠন হিসেবে কাজ করছে।

২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী পর থেকেই দেখা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের নামে বেশ কিছু ভুয়া সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেছে। এগুলো নানা অপকর্মের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। গোয়েন্দা সংস্থা এরকম বেশ কিছু সংগঠনের হদিস পেয়েছে। এরকম অন্তত ২৯৩টি ভুয়া সংগঠনের তালিকা আওয়ামী সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। এসব ভুয়া সংগঠনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- আওয়ামী নবীন লীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী সোনার বাংলা লীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী প্রচার লীগ, আওয়ামী তরুণ লীগ, ডিজিটাল লীগ, জয় বাংলা মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, বাংলা মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, নৌকা সমর্থক গোষ্ঠী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন লীগ,  বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মটর চালক লীগ, আওয়ামী মটর শ্রমিক লীগ, বাংলাদেশ রিকশা ভ্যান শ্রমিক লীগ, বঙ্গমাতা পরিষদ ইত্যাদি। জাতির জনক মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বঙ্গবন্ধুর পরিবারের নামে কোন সংগঠন করতে গেলে মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অনুমোদন নিতে হবে। মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অনুমোদন ব্যতীত বঙ্গবন্ধু পরিবারের নামে কোন সংগঠন হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে ট্রাস্টের সভায়।

এসব সংগঠনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী-এমপিরাও যোগদান করছেন। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সভাপতি কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। যেসব সংগঠন ট্রাস্টের অনুমোদন না নিয়েই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর পরিবারের নাম ভাঙিয়ে দোকান খুলেছে তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

কক্সবাজার সদরের ১০ নং ঝিলংজা ইউনিয়নের দরগাহ পাড়া এলাকার চিহ্নিত ডাকাতী ও চাঁদাবাজ মামলার আসামী দিদারুল আলম দিদারের বিরুদ্ধে অতীত ও বর্তমান কু-কর্মের তথ্য উপাত্ত সমৃদ্ধ সংবাদ জনগণের কল্যাণে সর্কতামূলক প্রত্রিকায় প্রকাশীত হলে দিদার নিজেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মটর চালক লীগ কক্সবাজার জেলার সভাপতি দাবী করে অপরাধ ধামাচাপা দিতে সংবাদপত্রের সম্পাদকসহ পাঁচ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকার চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ও ১০ কোটি টাকার মানহানির অভিযোগ এনে কক্সবাজার আদালতে একটি মামলা এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনে সাইবার ট্রাইব্যুনালে অপর একটি মামলা দায়ের করেন। আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের ২৫/২ ধারা অনুযায়ী দিদার একজন প্রতারক সে আওয়ামীলীগের নাম ভাঙ্গীয়ে ভুয়া সংগঠন আওয়ামীলীগ মটর চালক লীগের জেলা সভাপতি দাবী করে কক্সবাজার জেলায় ব্যাপক চাদাবাজীতে লিপ্ত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সাংগাঠনিক এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী উঠেছে।  অন্যদিকে দিদার নিজের অপরাধ ধামাচাপা দিতে কোটি টাকার মিশনে নেমেছে বলে জানাযায়। দিদারের কালো টাকার প্রভাবে সবার মুখ বন্ধ ।

বিভিন্ন সময়ে দিদারের বিরুদ্ধে আইনশৃংখলা বিরোধী একাধিক মামলা হয়। চুরি, সন্ত্রাসী, চাদাবাজী ডাকাতী সহ একাধিক মামলার আসামী দিদার । ২০০৭ সালে বে- আইনী জনতাবদ্ধে অনধিকার প্রবেশ করিয়া জোর পূর্বক চাঁদাদাবী করতঃ খুন করার উদ্দেশ্যে মারধর করিয়া জখম ক্ষতি সাধন ও চুরি করার অপরাধে মোঃ রফিক উদ্দিন বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর থানার একটি মামলা দায়ের করেন । দিদার উক্ত মামলার এজাহার নামীয় একজন আসামী । কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং-৪৪, তারিখ- ৩১ মার্চ, ২০০৭; জি আর নং-১১৮, তারিখ- ৩১ মার্চ, ২০০৭; ধারা- ১৪৩/৪৪৮/৩৮৫/৩২৩ । চোরাই মূল্য ৪,৭০০ টাকা উদ্ধার নাই । ২০১১ সালে বেআইনী জনতাবদ্ধে অনধিকার প্রবেশ করিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করতঃ চুরি ও ভয়ভীতি প্রর্দশনের অপরাধে জালাল আহমদ বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর থানার একটি মামলা দায়ের করেন । দিদার উক্ত মামলার এজাহার নামীয় একজন আসামী । কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং-৭০, তারিখ- ৩০ মার্চ, ২০১১; জি আর নং-২০২/১১ তারিখ- ৩০ মার্চ, ২০১১ ধারা- ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩০৭/৩৭৯/৪২৭/৫০৬। চোরাই ১ ভরি ওজনের স্বর্নের চেইন । উদ্ধার নাই । ২০১৮ সালে পরষ্পর যোগসাজসে গতিরোধ করিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করতঃ সাধারন, গুরুতর জখম, চুরি ও হুমকি প্রদর্শনের অপরাধে জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর থানার একটি মামলা দায়ের করেন । দিদার উক্ত মামলার এজাহার নামীয় একজন আসামী । কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং-১০ জি আর ৬০৯/১৮, তারিখ- ০২ আগষ্ট, ২০১৮; ধারা- ৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/৫০৬/৩৪। চোরাই মূল্য ২,৯০,০০০/- টাকা, উদ্ধার-নাই । ২০১১ সালে রাত্রীবেলায় সঙ্গোপনে দোকান ঘরের তালা কাটিয়া প্রবেশ করতঃ মারধর ভয়ভীতি ও খুন জখমের হুমকী প্রদর্শন করিয়া কাপড় চোপড় মোবাইল কম্পিউটার সামগ্রী এবং নগদ টাকা অনুমান ৫,০০,০০০/= সহ সর্বমোট ১০,০০,০০০/= টাকা লুণ্ঠন করার অপরাধে আলী আহমদ বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর থানার একটি মামলা দায়ের করেন । দিদার উক্ত মামলার এজাহার নামীয় একজন আসামী । কক্সবাজার সদর থানার মামলা নং-৩৪, তারিখ- ১০ আগষ্ট, ২০১১; জি আর নং-৫৯৩/১১ (কক্সবাজার সদর), তারিখ- ১০ আগষ্ট, ২০১১; ধারা- ৩৯৫/৩৯৭ । এতগুলো মামলার এজাহার নামীয় আসামী হলেও দিদার কালো টাকার বিনিময়ে এখনো রয়েছে ধরাছোয়ার বাইরে। তার কালো টাকার প্রভাবে অনেকে তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নারাজ। বর্তমানে ইয়াবা কারবারীদের ডন হিসেবে বেস খ্যাতি আছে তার। ইয়াবা কারবারে তার ব্যাপক জুড়ী থাকলেও কখনো আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়তে হয়নি তাকে। তাই ইয়াবাকারবারী বলাতে তার মান গেছে কোটি টাকার। তবে এত অপরাধে অভিযুক্ত একজন অপরাধী মাদক নিয়ে আটক না হলেও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার বিষয় বিশ্বাস করাটা স্বাভাবিক বলে মনে করেন সচেতন মহল। দিদারের মাদক কারবারে সমাজ ধ্বংসের পথে ধাবিত হলে একজন সচেতন ব্যক্তি ডিএমপি কমিশনার ঢাকা এবং সরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ে দিদারের বিরুদ্ধে মাদক পাচারে অভিযুক্ত করে অভিযোগ দায়ের করেন। দিদারও  মত ছদ্মবেশধারী হোয়াইট কলার একজন ইয়বা কারবারি। বর্তমানে যারা ১০২ জন তালিকাভুক্ত আত্মস্বীকৃত ইয়াবা কারবারির আত্মসমর্পণ করেছেন তাদের অনেকেরই মাদক মামলা ছিলনা কিন্তু তারাও আজ ইয়াবার কালিমা নিয়ে জেল হাজতে আছে। কক্সবাজারের সচেতন মহল র‌্যাবের দৃষ্টি আর্কষন করে দিদারের অপকর্ম থামানোর জোর দাবী করেছেন।

একাধিক সুত্রে জানাযায়, কক্সবাজার জেলা থেকে ইয়াবা যাদের হাত ধরে সারাদেশে বিস্তারলাভ করে তাদেরই একজন আলোচিত ইয়াবা গডফাদার কক্সবাজার সদরের খরুলিয়ার দিদারুল আলম । তার নেতৃত্ব চলেছে তিনটি ইয়াবা সিন্ডিকেটের কার্যক্রম । এ তিন সিন্ডিকেটে দিদারের অধিনে কাজ করেন প্রায় ৩৭জন । তার মধ্যে রোহিঙ্গা ও বেশ কয়েকজন নারী সদস্যও রয়েছে বলে সূত্রে জানাগেছে ।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানাগেছে এ ডনের নেতৃত্বে বাসর্টামিনাল সংলগ্ন ইয়াবা গ্রাম খ্যাত লারপাড়ার একডজন ইয়াবা কারবারি কাজ করেন । তাদের নেতৃত্ব দেন কবির প্রকাশ টুকাই কবির ও তার ভাই । লার পাড়ায় এ সিন্ডিকেটটি গড়ে তুলতে সহযোগীতা করেছিলেন লাল মোহাম্মদ ওরফে থানার দালাল লাল মোহাম্মদ । লাল মোহাম্মদ লার পাড়াকে ইয়াবা গ্রাম করে শত শত তরুণকে ইয়াবা ব্যবসা করতে বাধ্য করেছেন বলে পুরা জেলায় জনশ্রুতি আছে। তিনি বর্তমানে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ ধরা পড়ে জেলে আছেন । এ ছাড়াও রোহিঙ্গা নারী পুরুষের সমন্নয়ে গড়ে তুলেছেন একটি ইয়াবা বহনকারী সিন্ডিকেট । এই সিন্ডিকেটের প্রধান করে দেয়া হয়েছে আক্তার নামে দিাদারের এক ড্রাইভারকে । তারা ঢাকাসহ সারাদেশে ইয়াবা পাচার করে থাকে বলে সূত্রটির দাবি । অপরদিকে মটরলীগের নাম করে আরেকটি শক্তিশালী ইয়াবার সিন্ডিকেট কাজ করেন পর্যটন শহরের ভিতরে । এটি দিদার নিজেই নিয়ন্ত্রণ করেন । মটরচালক লীগের নামে ঝিলংজা খাদ্যগোদামের পাশে ব্যবসায়ীক অফিসে চলত সমস্ত লেনদেন ও মাল লোড আনলোড । এই কাজে দিদার কে সহযোগীতা করত দক্ষিণ ডিক্কুলের কামাল ঊদ্দিনের ছেলে রুস্তম আলী ও মৃত এজাহার মিয়ার ছেলে আব্দুল হক । গডফাদার দিদার বর্তমানে ইয়াবা ব্যবসা করে গাড়ি, বাড়ি নামে বেনামে অঢল সম্পদের মালিক। স্থানীয়দের তথ্যমতে শূন্য থেকে দিদার বর্তমানে প্রায় শত কোটি টাকার মালিক ।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরীকদের দাবি দিদারকে আটক করে রিমান্ডে নিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করলে ইয়াবা ব্যবসার বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের হয়ে আসবে, যা মাদক বিরোধী অভিযানকে আরো বেগবান করবে। দিদারের কালো টাকার কাছে যেখানে সবাই নিরব সেখানে দিদার সরবে চালিয়ে যাচ্ছে মাদকের রমরমা ব্যবসা। র‌্যাবের প্রতি আস্তা রেখে কক্সবাজারের সচেতন মহল দিদারের পুরো সেন্ডিকেট ভেঙ্গে দিয়ে মাদক কারবার গুড়িয়ে দেওয়ার জোর দাবী জানিয়েছেন।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ