বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মাঠে ডিসি, মেয়র অস্ট্রেলিয়ায়

  • সময় সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে
  • 9
  •  
  •  
  •  
    9
    Shares

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দিনরাত মাঠে কাজ করছে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসন। ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসের জন্য কখনো রাস্তার পাশে, কখনো ডোবা, আবার কখনো বাড়ি বাড়ি অভিযান চালাচ্ছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোস্তফা কামাল। জলাবদ্ধতা নিরসনেও নিয়েছেন কার্যকরী পদক্ষেপ।

এদিকে পৌরবাসীর দুর্ভোগের চিন্তা না করে মেয়র তাসকিন আহম্মেদ চিশতি ব্যক্তিগত সফরে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ায়। যা চরমভাবে ক্ষুব্দ করেছে শহরবাসীকে।
জনদুর্ভোগ ও দায়িত্বহীনতার কথা তুলে ধরে সাতক্ষীরা সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্য ও নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের নেতা অ্যাডভোকেট ফাহিমুল হক কিসলু জানান, জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের যে সেবা করার কথা পৌর মেয়র সেগুলো করেন না। শহরে পানি নিষ্কাশনের কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। যাও আছে সেগুলো দিয়ে পানি নিষ্কাশন হয় না, পরিণত হয়েছে ডেঙ্গু তৈরির কারখানা। জনপ্রতিনিধিদের অবহেলা ও দায়বদ্ধতার এত অভাব যে তারা নিজেদের সুবিধা নিয়েই সার্বক্ষণিক ব্যস্ত থাকেন।

তিনি আরও বলেন, পৌরসভায় বাজেট থাকলেও গত এক দশকে আমরা কখনো মশা নিধনে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখিনি। সম্প্রতি যখন ডেঙ্গু সারাদেশে মহামারি আকার ধারণ করল তখন সরকারের নির্দেশনায় স্প্রে করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক যখন রাতদিন মাঠে পরিশ্রম করছেন ডেঙ্গু ও জলাবন্ধতা নিরসনে, তখন জনপ্রতিনিধির ভূমিকা পালন না করে পৌর মেয়র গেছেন অস্ট্রেলিয়ায়। এ থেকেই স্পষ্ট যে তিনি কতটা জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন।

এদিকে সাতক্ষীরা পৌরসভার কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেন কালু জানান, জলাবদ্ধতা ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আমরা যখন ব্যস্ত সময় পার করছি তখন মেয়র তাসকিন আহম্মেদ চিশতি ব্যক্তিগত সফরে অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছেন। এই মুহূর্তে তিনি এ সফরে না গেলেও পারতেন।

সিভিল সার্জন ডা. মো. আবু শাহীন জানান, জেলায় এ পর্যন্ত ৪৭২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্নস্থানে ৫৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া বাকিরা চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র রেফার্ড করা হয়েছে কয়েকজনকে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সাতক্ষীরা স্বাস্থ্য বিভাগ একযোগে কাজ করছে।

এ বিষয়ে পৌরসভার সচিব সাইফুর রহমান বলেন, মেয়র তাসকিন আহম্মেদ চিশতি নিয়মনীতি মেনে মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন নিয়েই ব্যক্তিগত সফরে অস্ট্রেলিয়ায় গেছেন। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি ছুটিতে থাকবেন।

তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সাতক্ষীরা পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা মশক নিধনের জন্য একযোগে কাজ অব্যাহত রেখেছেন। এছাড়া মেয়র দেশে না থাকলেও তিনি সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ রেখে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সে অনুযায়ী কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। তবে কত দিনের সফরে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছেন তাৎক্ষণিক জানাতে পারেননি সচিব।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও জলাবন্ধতা নিরসনে সাতক্ষীরায় কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতারা একযোগে কাজ করছেন। এছাড়া তিনটি ধাপে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। বর্তমানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংস করতে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগও একযোগে কাজ করছে। সেই সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদেরও সম্পৃক্ত করা হয়েছে। তারাও কাজ করছেন। তবে কোনো জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে কাজে অবহেলার অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, সাতক্ষীরার জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ইজারা দেয়া জেলার সব খাল ও পানি নিষ্কাশনের জায়গার ইজারা বাতিল করা হয়েছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Comments Below
  •  
    9
    Shares
  • 9
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ