বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:২০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

ছাত্রদের যৌন নির্যাতন মাদ্রাসা শিক্ষকের, হাসপাতালে ১

  • সময় সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

জয়পুরহাট জেলা শহরের আরাম নগর হাফেজিয়া মাদ্রসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রোববার দুপুরে নির্যাতনের শিকার হওয়া ওই মাদ্রসার তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রকে তার স্বজনরা উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। আবাসিক ওই মাদ্রাসার শিক্ষক আইয়ুব আলী পার্শ্ববর্তী নওগাঁর ধামুইরহাট উপজেলার কামিয়া ডাঙ্গা গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে। বিষয়টি জানাজানি হলে ওই শিক্ষক মাদ্রাসা বন্ধ করে পালিয়ে যান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই মাদ্রাসার ভূক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, জয়পুরহাট শহরের আরাম নগর এলাকার এই হাফেজিয়া মাদ্রাসায় লেখাপড়া করত ১৪/১৫ জন শিশু। এসব শিশুদের সবাই জেলা শহরসহ আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চলের দরিদ্র পরিবারের সন্তান। শিক্ষক আইয়ুব আলী প্রতি রাতে শিক্ষার্থীদের আরবী শেখাতেন। পরে শোবার সময় তার বিছানায় প্রায় প্রতি রাতে এক এক জন শিশুকে ডেকে নিয়ে বলাৎকার করতেন।

এরই ধারাবাহিকতায় জেলা শহরের মাদারগঞ্জ এলাকার দরিদ্র ভ্যানচালকের শিশু পুত্রকে ভয় দেখিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে তাকে যৌন নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। এমতাবস্থায় গুরুতর অসুস্থ শিশুটি পালিয়ে বাড়ি এসে ঘটনাটি মা বাবাকে বললে তারা ওই শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করান।
ধর্মীয় শিক্ষকের এমন কূকীর্তি জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এই ঘটনার ধিক্কার জানান। তারা শিক্ষক আইয়ুব আলীর দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেন। আরাম নগর এলাকার সাবু ইসলাম, সোহাগ হোসেনসহ অন্যান্যরা রাইজিংবিডিকে জানান, এমন বিকৃত যৌনাচারের দু’চারজন ধর্মীয় শিক্ষকের কারণে আলেম সমাজ বিব্রত। এই শিক্ষককে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন তারা।

জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মুবিনুল ইসলাম মুবিন রাইজিংবিডিকে জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শিশুটির মলদ্বারে ক্ষত রয়েছে এবং এটি যে, বিকৃত যৌন নির্যাতন এতে কোন সন্দেহ নাই।
জয়পুরহাট সদর থানার পরিদর্শক (ওসি, তদন্ত) রায়হান হোসেন রাইজিংবিডিকে জানান, এ ব্যাপারে অসুস্থ শিশুটির বাবা জয়পুরহাট সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ বিষয়টি আমলে নিয়ে দ্রুত তদন্ত করবে। তবে আসামি পলাতক থাকায় তাকে এক্ষুনি তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হলেও তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ