বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৩:১১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

অনুমোদন ছাড়াই ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে’ মিয়ানমারের এনজিও!

  • সময় রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ২৩৪ বার পড়া হয়েছে
  • 166
  •  
  •  
  •  
    166
    Shares

কক্সবাজারের উখিয়ার ৮টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অনুমোদন ছাড়াই কাজ করছে মিয়ানমার ভিত্তিক এনজিও কমিউনিটি পার্টনার্স ইন্টারন্যাশনার (সিপিআই)।

মিয়ানমারের সরকার ও সেই দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা দ্বারা এনজিও-টি পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনজিওটির বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থেকে মিয়ানমার সরকারের কাছে তথ্য পাচার, সন্ত্রাসীদের মদদ দেওয়ার অভিযোগও করছেন স্থানীয়রা।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ সরকারের কোনো অনুমতি না নিয়েই কক্সবাজার শহরে বিশাল অফিস গড়ে তুলেছে এনজিও-টি। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রিত অফিসে স্থাপন করা হয়েছে উখিয়া টেকনাফের প্রতিটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ম্যাপ। এনজিওটির অফিসে ঢুকলে পুরো রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অবস্থান বুঝা যাবে।

বাংলাদেশে কাজ করার কোনো অনুমতি না থাকলেও দেশীয় পালর্স বাংলাদেশ, রোকিয়া ফাউন্দেশন, ভার্স, হেল্প কক্সবাজার, প্রত্যাশি, স্পেশ ও ওভার্ড সহ প্রায় দশটি এনজিওর ডোনার হিসেবে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করছে। অভিযোগ আছে, পার্টনার এনজিওদের ছত্রছায়ায় মিয়ানমারের এনজিও-টি বাংলাদেশের আইনকে তোয়াক্কা না করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তাদের কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।

রোহিঙ্গা প্রতিরোধ ও প্রত্যাবাসন সংগ্রাম কমিটির সভাপতি মাহামুদুল হক চৌধুরী বলেন, সিপিআই মিয়ানমারের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এনজিও। এই এনজিও মিয়ানমারের পক্ষে কাজ করতেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে কাজ করছে।

এ ব্যাপারে রোহিঙ্গা ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম বলেন, ক্যাম্পে এনজিওদের অনুমতি দেয় এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো। তারা শুধু এনজিওদের মনিটর বা সমন্বয় করে থাকে। সিপিআই এনজিওটির অনুমতি আছে কী নেই তা জানা নেই।

এ ব্যাপরে সিপিআই এনজিও’র কক্সবাজার অফিসে গেলে এনজিও’টির টিম লিডার আনোয়ার হোসেন মোল্লা জানান, সিপিআই দুই দশক আগে মিয়ানমারের কার্যক্রম শুরু করে। বাংলাদেশে কাজ করার জন্য তারা সংশ্লষ্ট দপ্তরে আবেদন করেছে। বাংলাদেশে কাজ করার অনুমতি তাদের না থাকলেও দুই বছর আগে পালর্স বাংলাদেশ নামের এনজিওর পার্টনার হিসেবে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ শুরু করে। এখন তাদের ১০টির মতো পার্টনার এনজিও আছে।

Comments Below
  •  
    166
    Shares
  • 166
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ