শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ‘মামুন-দেলোয়ার’ সিন্ডিকেটের রমরমা ইয়াবা ব্যবসা

  • সময় মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৯
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

আলোকিত ক্রাইম প্রতিবেদকঃ

মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অবকাঠামো নির্মাণের কাজে নিয়োজিত “এইচ.এম.ই ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কন্সট্রাকশন””-নামে একটি ঠিকাদারি সংস্থা হলেও মুলত ইয়াবা কারবারই তাদের মুল ব্যবসা।’এইচ.এম.ই ইঞ্জিনিয়ারিং এণ্ড কন্সট্রাকশন’-এর এমডি আল মামুন এবং ম্যানেজার দেলোয়ার যৌথভাবে শুরু থেকেই ঠিকাদারির আড়ালে রমরমা ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

মহেশখালী-মাতারবাড়ির কতিপয় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের নিয়ে গঠিত একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মামুন এবং দেলোয়ার দীর্ঘদিন প্রকাশ্যে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসলেও স্থানীয় প্রশাসন নীরব ভুমিকা পালন করছে।খোদ মামুনের ভাষ্য,সব কিছুই ম্যানেজ করেই তারা ইয়াবা ব্যবসা চালাচ্ছে।স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগযাশস থাকায় তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

দীর্ঘদিনের অনুসন্ধানে জানা যায়,মামুন এবং দেলোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত এই সিন্ডিকেটই মুলত মাতারবাড়িতে ইয়াবা নামক প্রাণঘাতী ট্যাবলেটের প্রচলন ঘটান।অথচ,কয়েক বছর আগেও মাতারবাড়ির ছাত্র-যুব সমাজ ‘ইয়াবা’ কি তা জানত না।অথচ,বর্তমানে অধিকাংশ ছাত্র যুব সমাজ ইয়াবা নামক ভয়ানক মাদকে আসক্ত। মাদকের সহজলভ্যতা, অবাধে মাদক বিক্রি ও নিয়ন্ত্রণহীন মাদক ব্যবহারের কারণে নেশার সাগরে ভাসছে মাতারবাড়ির ছাত্র-যুবসমাজ। ধীরে ধীরে যুবসমাজের মধ্যে সংক্রামক ব্যাধির মতো হামলে পড়ছে নেশার মরণ ছোবল।

মামুন ও দেলোয়ারের এই বিশাল সিন্ডিকেটই সর্বত্র ছড়িয়ে দিচ্ছে ইয়াবা। সমাজের বিত্তবান পরিবারের যুবক থেকে শুরু করে নিম্ন আয়ের পেশাজীবীরাও তাদের ইয়াবা গ্রাহক। বিভিন্ন সূত্রে তথ্য নিয়ে জানা যায়, সর্বনাশা ইয়াবা এখন হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়।কারণ মাতারবাড়ির আনাচে-কানাচে তাদের সিন্ডিকেটের ইয়াবা বিক্রেতা রয়েছে।

মামুন-দেলোয়ার ইয়াবা সিন্ডিকেটে রয়েছে,মহেশখালী-মাতারবাড়ির কামরুল,সাইয়েম,নাজমুল,কামাল,রাহাত,ফরহাদ, সুজন,জাহেদ,সাঈদ,মজিদসহ আরো অনেকেই জড়িত।

এ বিষয়ে এলাকার সচেতন অভিভাবক মহল জানান, প্রতিকারের কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় মাদকের ছোবল দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। বিষয়টি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এলাকার সচেতন মহল জোর দাবী জানিয়েছেন।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ