বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

৮০টির পর্যালোচনায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৪৭ : ডেথ রিভিউ কমিটি

  • সময় সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৯
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

আলোকিত রিপোর্টঃ
সরকারি হিসাবে চলতি বছর (১ জানুয়ারি থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত) মোট ৬৩ হাজার ৫১৪ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) রোগতত্ত্ববিদ ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে গঠিত ডেথ রিভিউ কমিটি। যদিও বেসরকারি হিসাবে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের সহকারী পরিচালক আয়শা আখতার জানান, আইইডিসিআরের ডেথ রিভিউ কমিটির কাছে এখন পর্যন্ত মোট ১৬৯ জনের ডেঙ্গুতে মৃ্ত্যু পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়। তারমধ্যে ৮০টি মৃত্যু পর্যালোচনা করে ৪৭ জনের ডেঙ্গুতে মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া গেছে। এখনও ৮৯টি মৃত্যু পর্যালোচনার অপেক্ষায় রয়েছে।

পর্যালোচনার জন্য পাঠানো ১৬৯টি মৃত্যুর মধ্যে ঢামেক থেকে ২৩ জনের, মিটফোর্ডে একজনের, ঢাকা শিশু হাসপাতালে ১০, শহীদ সোহরাওয়ার্দী ৫, বিএসএমএমইউ ৩, মুগদা ১৫, কুর্মিটোলা থেকে দুটি পাঠানো হয়। এ ছাড়া বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে ৭৮টি ও বিভিন্ন বিভাগীয় হাসপাতাল থেকে ৩২ জনের ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে উল্লেখ করে পর্যালোচনার জন্য পাঠোনো হয়।

মৃত্যু নিয়ে লুকোচুরি করা হচ্ছে-এমন অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘চলতি বছর আশঙ্কাজনকভাবে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্কও বিরাজ করছে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে যেন মৃত্যু না হয় সে জন্য জ্বর হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের এবং প্রয়োজনে ডেঙ্গু হয়েছে কিনা তা জানতে পরীক্ষা করার পরামর্শ দেয়া হয়। আতঙ্কগ্রস্ত মানুষ অনেকেই ভয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ডেঙ্গু পরীক্ষা করিয়েছে। অস্বীকার করার জো নেই ডেঙ্গুতে আক্রা ন্ত হয়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষও মারা গেছেন। কিন্তু বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে যেভাবে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার সংবাদ আসছে তার সবগুলোই কিন্তু ডেঙ্গুর কারণে মৃত্যু হয়নি।’

মৃত্যু কী কারণে হয়েছে তা নিশ্চিত হতেই রোগতত্ত্ব ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত ডেথ রিভিউ টিম রোগীর মৃত্যুর পর তার হাসপাতালে ভর্তির আগে ও পরের সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট ও চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র যাচাই করে দেখছেন।

স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বলেন, ‘ভবিষ্যতে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন ও গবেষণার জন্য ডেঙ্গুতে আক্রান্ত এবং ডেঙ্গুর কারণে মৃত্যুর সঠিক পরিসংখ্যান জানা খুবই জরুরি।’

তিনি জানান, ডেথ রিভিউ কমিটির পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অনেক সময় চিকিৎসকরাও মৃত্যুর কারণ ডেঙ্গু লিখে দিলেও প্রকৃতপক্ষে ডেঙ্গুতে রোগীর মৃত্যু হয়নি।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ