মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২০, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

নানা কৌশলে ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা

  • সময় শনিবার, ১০ আগস্ট, ২০১৯
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত ডেস্কঃ
নানা কৌশলে ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পাসপোর্ট সংগ্রহ করে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমাচ্ছে ক্যাম্প থেকে পালানো রোহিঙ্গরা। এমন অহরহ ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের সচেতনা এখনো বাড়েনি।ফলে দিনদিন রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ছাড়ার প্রবনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।বৃহস্পতিবার বিকেলে এভাবে অন্যত্রে চলে যাওয়ার সময় উখিয়া কলেজ সংলগ্ন আর্মি চেকপোস্টে আটক হয় ২জন। তারা চিকিৎসার কথা বলে ক্যাম্প ইনচার্জের নিকট থেকে অনুমতি নিয়ে কক্সবাজারের দিকে যাচ্ছিল।তাদের অসুস্থতা নিয়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার লোকজনের সন্দেহ হলে আটক করে ক্যাম্পে ফেরত পাঠায়। এভাবে ক্যাম্প থেকে পালানোর সময় পুলিশ, আর্মি, বিজিবি চেকপোস্টে প্রায় ৫৮হাজার রোহিঙ্গা আটক হয়েছে ইতিমধ্যে। আটকদের সকলকে ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানান সংশিষ্টরা।

জানা গেছে, উখিয়া-টেকনাফে ৩২টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প রয়েছে। এখানে আশ্রয় নিয়েছে ১১ লাখের অধিক রোহিঙ্গা। মিয়ানমারের সামরিক জান্তার নির্যাতনের শিকার হয়ে বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে এদেশে পালিয়ে এসেছে। তাদের মধ্যে অনেকে ব্যবসা-বাণিজ্য করে এখন স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। তারা প্র্রতিদিন ক্যাম্প ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছে। স্থানীয় দালাল চক্রের সহযোগিতায় মালয়েশিয়া,আরব আমিরাত,সৌদি আরব সহ মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে থাকে রোহিঙ্গারা।

রফিক নামের এক এনজিওকর্মী জানান, তার গাড়ীতে করে ২জন রোহিঙ্গা চিকিৎসার কাগজপত্র নিয়ে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন, এসময় আর্মি চেকপোস্টে তল্লাশী সময় তারা সঠিক উত্তর দিতে না পারায় আর্মি সদস্যরা ২জনকে বসিয়ে রাখে। এদের দেখে মনে হয়েছে তারা সম্পূর্ণ সুস্থ । কিন্তু ক্যাম্প ইনচার্জের নিকট থেকে অনুমতি নিয়েছে চিকিৎসার কথা বলে। তাদের কাগজপত্রে দেখা গেছে, তারা ২জনই থাইংখালী শফিউল্লাহকাটা ক্যাম্পের আশ্রিত রোহিঙ্গা। এরা হলেন- এনাম হোসেন (২২) সৌমুদা বেগম (৬১)। এখানে সৌমুদাকে রোগী সাজিয়ে তারা ক্যাম্পের বাইরে চলে যাচ্ছিল। পরে তাদেরকে ক্যাম্পে ফেরত পাঠায় আইনপ্রয়োগকারী সদস্যরা।
এব্যাপারে মুঠোফোনে কথা হলে কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুম হোসেন দৈনিক সমুদ্রকন্ঠকে বলেন,রোহিঙ্গাদের পালানো ঠেকাতে আমাদের অসংখ্য চেকপোষ্ট আছে।প্রতিনিয়নত কোন না কোন চেকপোষ্টে তারা আটকা পড়ছে।এপরও তারা স্থানীয়দের হাত ধরে নানাভাবে ক্যাম্প থেকে বের হয়ে যাচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে বলে তিনি জানান।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares