রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৯, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মিয়ানমারের কাছে নতিস্বীকার করেছে সরকার: ফখরুল এক মাস পিছিয়ে গেলো বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ মাদকাসক্ত ছেলেকে পুলিশে দিলেন বাবা ‘দেশের স্বার্থ রক্ষা করে সাংবাদিকদের ইতিবাচক সংবাদ পরিবেশন করতে হবে’ উখিয়া -টেকনাফে দুই বছরে বন্দুক যুদ্ধে ৩২ রোহিঙ্গা নিহত রামুতে অপহরণের ২দিন পর ৫ম শ্রেণির ছাত্রী উদ্ধার ॥ আটক ২ মাহবুবুল হক মুকুল কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রোহিঙ্গাদের জন্ম ও নাগরিকত্ব সনদ দিলেই মামলা স্বামী বেশী ভালবাসা দেওয়ার কারণে, তালাক চাইলেন স্ত্রী উখিয়ারঘোনা লামার পাড়া পুরাতন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এর ভবন নির্মাণ কাজ উদ্বোধন বরিশালের হিজলাতে আইভি রহমানের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত । বরিশালের মুলাদীতে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় আয়েশা আক্তার নামে এক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায় এক যুবক।। উখিয়ায় জোরপূর্বক জমি জবর দখলে নিতে সন্ত্রাসী হামলা, আহত-৪ সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত ‘রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে যুক্তরাষ্ট্র চাপ অব্যাহত রাখবে’ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস বন্ড সিরিজের ২৫তম মুভির নাম চূড়ান্ত শহীদ মিনারে মোজাফফর আহমদের প্রতি সর্বজনের শেষ শ্রদ্ধা দেড় কিঃমিঃ রাস্তা পরিষ্কার করলো এফ.বি এসোসিয়েশন ‘ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠানের অবহেলার নজির নেই’ নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মনোনীত হওয়ায় ছাত্রদল নেতা মোঃ কেফায়ত উল্লাহ’র শুভেচ্ছা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করাই উত্তম: তাজুল ইসলাম আধুনিক চ্যালেঞ্জের মুখে সন্তান প্রতিপালনের দশটি দিক নির্দেশনা। মহেশপুরে সাতপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ তলা ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন-এমপি চঞ্চল। মোজাফফর রাজনীতিকে এতিম করে চলে গেলেন : মোমিন মেহেদী ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৯ টেকনাফে ফারুক হত্যায় জড়িত ২ রোহিঙ্গা বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৮দিনের সরকারী সফরে দক্ষিণ কোরিয়া ও থাইল্যান্ড যাচ্ছেন মেয়র মুজিবুর রহমান অফিসেই নারীকর্মীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় জামালপুরের ডিসি! মুখের কালো দাগ দূর করবেন যেভাবে রাঙ্গামাটিতে সেনাবাহিনীর অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত

নামটি কেন কাশ্মীর?

  • সময় শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০১৯
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

লোককথা অনুযায়ী, ‘কাশ্মীর’ মানে হল ‘শুষ্ক ভূমি’। দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে কলহন-এর লেখা কাশ্মীরের ইতিহাস ‘রাজতরঙ্গিণী’ থেকে জানা যায় যে কাশ্মীর উপত্যকা পূর্বে একটি হ্রদ ছিল। হিন্দু পুরাণে বর্ণনা করা আছে সৃষ্টির দেবতা ব্রহ্মার পৌত্র মহাঋষি কশ্যপ বারামূলা(বরাহমূল) পাহাড়ের একাংশ কেটে হ্রদের জল নিষ্কাশন করেন।
কাশ্মীর সম্পূর্ণ শুকিয়ে যাওয়ার পর কশ্যপ ব্রাহ্মণদের সেখনে বসতি স্থাপন করা্র জন্য আমন্ত্রণ করেন। এই কাহিনী স্থানীয় ঐতিহ্যে আজও রয়ে গেছে, এবং এই অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থাও অনেকটাই সমর্থন করে।

কশ্যপের সাথে হ্রদ নিষ্কাশণের যোগাযোগ ঐতিহ্যগত ইতিহাসেও পাওয়া যায়,যা বোঝা যায় উপত্যকায় বসবাসকারীদের প্রধান শহরের নাম ‘কশ্যপ-পুরা’ থেকে, যার উল্লেখ আছে হেকাটেউস লেখায় কাস্পাপাইরস বা হেরোডোটাসের লেখায় কাস্পাটাইরস নামে। টলেমি তাঁর লেখা কাশ্মীরকে ‘কাস্পেইরিয়া’ নামে নির্দেশ করেছেন।

ষষ্ঠ শতাব্দীতে ভারতে আসা চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং-এর লেখা জানতে পারা ‘কাশ-মি-লো’ রাজ্যের কথা যার অস্তিত্ব ছিল প্রথম শতাব্দী থেকে ।

১৮১৯ খ্রীষ্টাব্দে শিখ মহারাজা রণজিৎ সিংহ-এর কাশ্মীর বিজয়ের পূর্বে এখানে রাজত্ব ছিল পাশতুন উপজাতীয় দুরানী রাজবংশের। প্রথম ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধের পর লাহোর চুক্তি অনুসারে কাশ্মীর ইষ্টইণ্ডিয়া কোম্পানির শাসনাধীনে আসে, যারা কিছুদিন পরেই অমৃতসর চুক্তির মাধ্যমে জম্মুর রাজা গুলাব সিং-কে বিক্রি করে দেয়, এর ফলে তিনি জম্মু ও কাশ্মীরে মহারাজা উপাধি লাভ করেন। এইসময় থেকে ১৯৪৭-এ দেশভাগের আগে পর্য্যন্ত হিন্দু মহারাজাদের অধীনে কাশ্মীর শাসিত হয় যদিও জম্মু ও লাডাখ অঞ্চল ছাড়া সমগ্র রাজ্যে মুসলমান জনসংখ্যার আধিক্য ছিল বেশি। যদিও ভারতের জনসংখ্যা পাকিস্তানের পাঁচ গুণ বেশি তবে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় সমান।

কাশ্মীরের ইতিহাস বৃহত্তর ভারতীয় উপমহাদেশ ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলসমূহের (মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া ও পূর্ব এশিয়া) ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ঐতিহাসিকভাবে কাশ্মীরকে ‘কাশ্মীর উপত্যকা’ নামে অভিহিত করা হয়েছে। বর্তমানে কাশ্মীর বলতে একটি তুলনামূলক বৃহৎ অঞ্চলকে বোঝায়। বর্তমান ভারত-নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য (যেটি জম্মু, কাশ্মীর উপত্যকা ও লাদাখের সমন্বয়ে গঠিত), পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিত-বালতিস্তান অঞ্চলদ্বয় এবং চীন-নিয়ন্ত্রিত আকসাই চিন ও ট্রান্স-কারাকোরাম ট্র্যাক্ট অঞ্চলদ্বয় বৃহত্তর কাশ্মীরের অন্তর্ভুক্ত।পঞ্চম শতাব্দীর পূর্ববর্তী সময়ে কাশ্মীর প্রথমে হিন্দুধর্ম এবং পরে বৌদ্ধধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়। পরবর্তীতে নবম শতাব্দীতে কাশ্মীরে শৈব মতবাদের উত্থান ঘটে। ত্রয়োদশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দীতে কাশ্মীরে ইসলাম ধর্মের বিস্তার ঘটে এবং শৈব মতবাদের প্রভাব হ্রাস পায়। কিন্তু তাতে পূর্ববর্তী সভ্যতাগুলোর অর্জনসমূহ হারিয়ে যায়নি, বরং নবাগত ইসলামি রাজনীতি ও সংস্কৃতি এগুলোকে বহুলাংশে অঙ্গীভূত করে নেয়, যার ফলে জন্ম হয় কাশ্মিরি সুফিবাদের।

১৩৩৯ সালে শাহ মীর কাশ্মীরের প্রথম মুসলিম শাসক হিসেবে অধিষ্ঠিত হন এবং শাহ মীর রাজবংশের গোড়াপত্তন করেন। পরবর্তী পাঁচ শতাব্দীব্যাপী কাশ্মীরে মুসলিম শাসন বজায় ছিল। এর মধ্যে মুঘল সম্রাটরা ১৫৮৬ সাল থেকে ১৭৫১ সাল পর্যন্ত এবং আফগান দুররানী সম্রাটরা ১৭৪৭ সাল থেকে ১৮১৯ সাল পর্যন্ত কাশ্মীর শাসন করেন। ১৮১৯ সালে রঞ্জিত সিংহের নেতৃত্বে শিখরা কাশ্মীর দখল করে। ১৮৪৬ সালে প্রথম ইঙ্গ—শিখ যুদ্ধে ইংরেজদের নিকট শিখরা পরাজিত হয়। এরপর অমৃতসর চুক্তি অনুসারে জম্মুর রাজা গুলাব সিংহ অঞ্চলটি ব্রিটিশদের কাছে থেকে ক্রয় করেন এবং কাশ্মীরের নতুন শাসক হন। ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত তাঁর বংশধরগণ ব্রিটিশ রাজমুকুটের অনুগত শাসক হিসেবে কাশ্মীর শাসন করেন। ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগের সময় অঞ্চলটি একটি বিবদমান অঞ্চলে পরিণত হয়। বর্তমানে অঞ্চলটি ভারত, পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে বিভক্ত।

Comments Below

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ

Shares