মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২০, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

শুধুমাত্র বিএস খতিয়ানের উপর ভিত্তি করে এল,এ ৫/১৭-১৮ নম্বর মামলার ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান স্থগিত করুন।

  • সময় বৃহস্পতিবার, ৮ আগস্ট, ২০১৯
  • ২৩০ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা মৌজার বিএস খতিয়ান ২৩৫ নং খতিয়ানের বিএস ১৩৯০২, ১৩৯০৯,১৩৮৭০,১৩৮৭৯,১৩৮৯১,১৩৯২২,১৩৮২৫,১৩৯৩১,১৩৯৩৯ ও ১৩৮৬৮ নং দাগের আন্দরে মোট ১৭.১৯ একর জায়গা রেকর্ড দেখানো হয়। প্রকৃতপক্ষে উক্ত খতিয়ানের রেকর্ডীয় মালিকগণ বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট হতে দলিলমুলে ১০ একর জমি ক্রয় করে বলে জানা যায়। কিন্ত ১৭.১৯ একর জমি বিএস ২৩৫ নম্বর খতিয়ানটি সৃজন করেন। যেহেতু উক্ত খতিয়ানের সমস্ত জমি দলিলমুলে ক্রয়কৃত জমি।

উক্ত খতিয়ানের দলিলমুলে ক্রয়কৃত জমির পরিমান ১০ একর হলে বিএস রেকর্ডে কি করে ১৭.১৯ একর জমি লিপিবদ্ধ করা হয়! খতিয়ানের মালিকগণের ক্রয়কৃত দলিলপত্র যাচাই বাছাই করে ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান করা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তার দায়ীত্ব ও কর্তব্য। কেননা জেলায় অনেক মৌজায় বিএস রেকর্ডে দলিলমুলে ক্রয়কৃত বা এজমালি সূত্রে পাওয়া জমির চেয়ে বেশী জমি বিভিন্ন মালিকেরা অবৈধ পন্থায় নিজেদের নামে রেকর্ড দেখিয়ে খতিয়ান সৃজন করার নজিরও আছে।

অবৈধ পন্থায় বিএস খতিয়ানে বেশী জমি রেকর্ড করা জমির মালিক যদি ব্যক্তি বিশেষ হয়। তাহলে বিএস সংশোধনের জন্য সংক্ষোব্ধ পক্ষ মামলা করে থাকেন। আর জমির মালিক যদি সরকার পক্ষ হয়ে থাকে তাহলে সরকার স্ব প্রণোদিত হয়ে মামলা করার ইতিহাস এখনো আমাদের জানা নেই। মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা মৌজার বিএস ২৩৫ নম্বর খতিয়ানে লিপিবদ্ধ প্রায় ৭ একর জমি সরকারের ১নং খাস খতিয়ানের জমিও হতে পারে। সেই সুত্রে ভূমি অধিগ্রহণে নিয়োজিত সকল পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের দায়ীত্ব হল ক্রয়কৃত জমির দলিল দস্তাবেজ দেখে অধিগ্রহণকৃত জমির পরিমাণ নির্ধারণ করা।

যদি তা করা না হলে বিএস এবং ডিআরআর রেকর্ডে ক্রয়কৃত জমির চাইতে যে পরিমাণ জমি খতিয়ানে বেশী রেকর্ড করা আছে তাহা সরকারি জমিও হতে পারে। উল্লেখিত সৃজিত বিএস ২৩৫ নং খতিয়ানে ক্রয় করা জমির চাইতে বেশী রেকর্ড করা জমির ক্ষতিপূরন প্রদান করলে আইনগতভাবে অবৈধ বলে গণ্য হবে। সেই সূত্রে দৈনিক আলোকিত উখিয়ার ক্রাইম নিউজ এডিটর উল্লেখিত অভিযোগের উপর ভিত্তি করে কক্সবাজার জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা আবদুল মোমেনের কাছে ৫/১৭-১৮ নম্বর এল,এ মামলার ক্ষতিপূরণের টাকার চেক প্রদান স্থগিত করে খতিয়ানের মালিকদের ক্রয়কৃত জমির দলিলপত্র যাচাই বাছাই করে প্রদান করতে একখানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে যান।

ইহা ছাড়া ও উক্ত খতিয়ানের রেকর্ডীয় মালিক পাঁচজন উল্লেখ থাকলেও আবু জাফর একজন ভিন্ন ব্যক্তি। তাহার পিতার নামও ভিন্ন। কিন্তু স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ হতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মোহাম্মদ কায়ছার পিতা নুর আহামদ কতৃক নেওয়া ওয়ারিশ সনদটিতে আবু জাফরের সম্পত্তি আত্মসাৎ করার লক্ষ্যে আবু জাফরের নাম পরিবর্তন করে আবু জাফর মোহাম্মদ কায়ছার নাম দিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে ওয়ারিশ সনদ নিয়েছিল। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান উক্ত ওয়ারিশ সনদ বাতিল করে দেন। এব্যাপারে জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে,তিনি জানান,আবু জাফর মোহাম্মদ কায়ছার নামের মালিকের ক্ষতিপূরনের টাকা স্থগিত করা হয়েছে বলে আমাদের ক্রাইম নিউজ এডিটরকে জানান।

জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা আবদুল মোমেন প্রমাণ যোগ্য প্রয়োজনীয় দলিল দস্তাবেজ রয়েছে কিনা জানতে চান। তিনি বলেন, বিএস এবং ডিআরআর রেকর্ডে ১৭.১৯ একর জমি লিপিবদ্ধ করা আছে বলে জানান। তিনি আরো বলেন অভিযোগের স্বপক্ষে কোন প্রকার প্রমাণ থাকলে দেখাতে বলেন। অফিস খোলার তারিখে প্রমাণ সহ তার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। আমাদের ক্রাইম নিউজ এডিটরের লিখিত অভিযোগ খানা গ্রহন করতে বললে তিনি বলেন, অভিযোগটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ই সেবা তথ্য কেন্দ্রে দেওয়ার কথা বলেন। বিকাল ৫ টায় ই – সেবা তথ্য কেন্দ্র বন্ধ থাকায় অভিযোগ দায়ের করা যায়নি।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মহোদয় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে আহবান জানাচ্ছি এল,এ ৫/১৭-১৮ নং মামলার ক্ষতিপূরণের টাকা শুধুমাত্র বিএস খতিয়ানের ভিত্তিতে প্রদান না করার। খতিয়ানের মালিকদের ক্রয়কৃত জমির দলিলপত্র যাচাই বাছাই করে ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান করার আবেদন জানান দৈনিক আলোকিত উখিয়ার ক্রাইম নিউজ এডিটর। অন্যথায় আরেকটি মাতার বাড়ির জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান করার মত কেলেংকারী হবার সম্ভাবনাই বেশী বলে মনে করেন বিজ্ঞ জনেরা।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares