শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

নির্যাতনে পালিয়ে যাওয়া কক্সবাজারের দুই তরুণী চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার

  • সময় বুধবার, ৭ আগস্ট, ২০১৯
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

নির্যাতনে পালিয়ে যাওয়া কক্সবাজারের দুই তরুণী চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধারপারিবারিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থেকে পালিয়ে যাওয়া দুই তরুণীকে চট্টগ্রামের ভিন্ন ভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৫ আগষ্ট) একজনকে চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ থানা ও অন্যজনকে পটিয়া থানা থেকে তাদের উদ্ধার করার কথা নিশ্চিত করেছেন কুতুবদিয়া থানার এসআই জয়নাল আবেদীন।

থানা সূত্রে জানা যায়, পরিবারের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে পালিয়ে গিয়েছিল কুতুবদিয়া উপজেলার আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের ফতেহ আলী সিকদার পাড়ার গোলাম কুদ্দুছের মেয়ে সালমা আক্তার (১৫) ও তার চাচাতো বোন গোলাম রশিদের মেয়ে এস্তফা বেগম (১৩)।

পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে অপহরণ দেখিয়ে একই এলাকার ফয়সাল রহমান রনি ও সাহাব মিয়া নামের দুই যুবককে অভিযুক্ত করে ৫ জুলাই কুতুবদিয়া থানা একটি সাধারণ ডায়েরী করে তরুনীর পিতা আবদুল কুদ্দুস। সাধারণ ডায়েরী নং-১৬৮।

সেই সাথে এস্তফার পিতা গোলাম রশিদ বাদী হয়ে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাত ট্রাইবুনালে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় গত ৮ জুলাই ফয়সাল ও সাহাব মিয়াকে আটক করে ৫৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করেন কুতুবদিয়া থানা পুলিশ।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ দিদারুল ফেরদাউস জানান, উদ্ধারকৃত দুই তরুনী পরিবারিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে পালিয়ে গিয়েছিল বলে স্বীকার করেছে। প্রতিবেশিদের ফাঁসাতে অপহরণ নাটক করে থানায় মামলা এবং তরুনীদেরকে বিক্রি করে দিয়েছে এমন গুজবও রটিয়েছে রটিয়েছে তাদের পরিবার।

৫ আগস্ট পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সালমাকে পটিয়ার ১নং ওয়ার্ডের সিকু মাঝির ভাড়া বাসা থেকে এবং এস্তেফাকে চট্টগ্রাম ষোল শহর ষ্টেশন কলোনী থেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে আসে।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ