শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২০, ০৯:৫১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

তোমরা যারা বে-নামাজি মেয়ে বিয়ে করতে চাও!

  • সময় বুধবার, ৭ আগস্ট, ২০১৯
  • ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

হযরত মাওঃ হাফেজ শরীফুল ইসলাম, রামু

আল্লাহু আকবার!
শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহ.-এর এই কথাটি পড়ে শরীরের সবগুলো লোম খাড়া হয়ে গেল! বে-নামাজি মেয়েকে বিয়ে করার ব্যাপারে তিনি কী কথাই না বলেছেন! অথচ, আমাদের মধ্যে এমন অনেক নামাজি যুবক আছে; যারা অনেক সময় কোনো বে-নামাজি মেয়ের রূপের মোহে পড়ে দীনদারির কথা বেমালুম ভুলে গিয়ে, এই মেয়েকেই বিয়ে করতে চায়! শুধুমাত্র মেয়ের জাদুময় রূপের ঐন্দ্রজালে পড়ে! বে-নামাজি যুবকের কথা নাহয় বাদই দিলাম।
বে-নামাজি যুবক কি আর বিয়ের সময় নামাজি মেয়ে খোঁজার গরজ অনুভব করে?

ইবনে তাইমিয়া বলেন–“যখন কোনো পুরুষ জানতে পারবে যে, পাত্রী বে-নামাজি, তখন এই মেয়েকে বিয়ে করা কোনো ব্যভিচারিণী, চুরুনী ও মদপানকারিণী মেয়ের চেয়েও অধিক মারাত্মক হবে! কেননা, উলামায়ে কিরামের ঐক্যমতানুসারে, বে-নামাজি ব্যক্তি চোর ও ব্যভিচারী ব্যক্তির চেয়ে অধিক মারাত্মক।
কারণ, বে-নামাজি ব্যক্তি, পুরুষ হোক বা নারী; ইমাম শাফিয়ি, মালিক ও আহমদ রহ.-সহ জুমহুর আলেমদের মতে, তার শাস্তি হলো হত্যা।
আর জুমহুর আলেমদের মতে, চোরকে হত্যা করা অপরিহার্য নয়। এভাবে ব্যভিচারিণী নারী যদি অবিবাহিতা হয়, তাহলে তাকেও হত্যা করা আবশ্যক নয়।

সাবালিকা কুমারী মেয়ে যদি তার বাবা-মা’র ঘরে নামাজ না পড়ে, তাহলে এটা তার বাবা-মা’র ঘরে মদপান ও ব্যভিচার করার চেয়েও আরও মারাত্মক। আর যেহেতু লোকেরা কোনো ব্যভিচারিণী, চুরুনী ও মদপানকারিণীকে বিয়ে করতে অপছন্দ করে, তাহলে আলেমদের মতে অপরিহার্য হলো, বে-নামাজি মেয়েকেও বিয়ে না করা এরচেয়েও অধিক অপছন্দনীয় হতে হবে। কেননা, বে-নামাজি মেয়ে ব্যভিচারিণী, চুরুনী ও মদপানকারিণীর চেয়েও অধিক মারাত্মক!” **

উল্লেখ্য, এটা জুমহুর আলেমদের মাজহাব। আমাদের ইমাম আবু হানিফা রহ.এর মাজহাব মতে, বে-নামাজি ব্যক্তিকে কারার অন্ধকার প্রকোষ্ঠে অন্তরীণ করে ততক্ষণ পর্যন্ত প্রহার করে রক্তাক্ত করতে হবে, যতক্ষণ না পর্যন্ত সে নামাজ পড়তে শুরু করে।

শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়া যদিও কথাগুলো বে-নামাজি পাত্রীর বেলায় বলেছেন, তথাপি যে মূলনীতি উল্লেখ করেছেন, তাতে হুবহু কথা বে-নামাজি পাত্রের বেলায়ও প্রযোজ্য। কেননা, বে-নামাজি ব্যক্তি ব্যভিচারী, চোর ও মদপানকারী ব্যক্তির চেয়ে অধিক মারাত্মক।

সূত্র: جامع المسائل, পৃষ্ঠা: ১৪৩, ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares