শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

গ্রেফতারকৃতরা জামিনে ছাড়া পেয়ে ফের মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে !

  • সময় মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই, ২০১৯
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

আলোকিত ক্রাইম প্রতিবেদকঃ

মাদকের গডফাদার, মাদ ব্যবসায়ী ও অর্থ যোগানদাতারা গা-ঢাকা দিচ্ছে। গ্রেফতার আতঙ্কে ও বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার ভয়ে তারা এখন নিরাপদ আত্মগোপনে যাচ্ছে। আবার অনেকে ইয়াবাসহ গ্রেফতারের পর আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। জেল থেকে জামিনে বের হয়ে বেপরোয় ভাবে অনেকে ফের মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে।

কক্সবাজার শহরের মাদকসহ বিভিন্ন মামলার আসামি নুরুল আলম জামিনে ছাড়া পেয়েছে। এই অঞ্চলে এই ধরনের বহু মাদক মামলার গ্রেফতারকৃত আসামি জামিনে ছাড়া পেয়েছে বলে পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

সুত্র মতে, ইয়াবা গডফাদার আবদুল হাফেজ প্রকাশ হাফেজ আহম্মদ। তার মাদক ব্যবসায়ী ছেলে হোসেন আহাং।বাড়ি টেকনাফের মৌলভী পাড়ায়।বর্তমানে ফাতেরঘোনা,লাইটহাউসপাড়া, ১২নং ওয়ার্ড, কক্সবাজার পৌরসভায়।গত রমজানে সে কক্সবাজার থানা পুলিশের হাতে ইয়াবা সহ গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন।তার ভাই আবদুর রহমানের বিরুদ্ধেও রয়েছে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মাদক মামলা। তবে সে এখন পলাতক। এই মাদক ব্যবসায়ী হোসেন আহম্মদের বাবা আবদুল হাফেজ প্রকাশ হাফেজ আহম্মদ (সম্প্রতি স্বাভাবিক মৃত্যু হয়), তার মা সহ পুরো পরিবারের বিরুদ্ধে মাদকের মামলা রয়েছে।

সুত্রে আরো জানা গেছে, কক্সবাজার শহরের পূর্ব লাইট হাউজস্থ ফাতের ঘোনা এলাকার মৃত সোলতান আহমদের ছেলে নুরুল আলম দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার শহর সহ জেলার বাইরে বিভিন্ন স্থানে দেদারছে ইয়াবা পাচার করে আসছিল। ইয়াবা ব্যবসা করেই অনেক টাকার মালিক সে। গত ২৬ মে সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই আনছারুল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী নুরুল আলমকে ইয়াবা সহ আটক করেন। এঘটনায় তার বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। তাকে আদালতে সোর্পদ করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। ইয়াবা ব্যবসায়ী নুরুল আলম (২৮) ২০১৬ সালে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানায় ৫ হাজার পিস ইয়াবা নিয়ে আটক হন। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানার মামলা নং-৪২, জিআর-৪৯৮/১৬ইং, ২০১৬ সালে রাত ৮টা ৫০ মিনিটের সময়। ধারা-১৯(১) এর ৯(খ)১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন।

প্রায় ৪৬ দিন জেল হাজতে থাকার পর সম্প্রতি ইয়াবা ব্যবসায়ী নুরুল আলম আদালত থেকে জামিন নিয়ে কারাগার থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আবারও সিন্ডিকেট করে ইয়াবা ব্যবসা করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। দীর্ঘদিন জেলখেটে জামিনে মুক্তি পেয়ে ফের শুরু করেছে ইয়াবার কারবার।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, লাইটহাউস পাড়া, ফাতেরঘোনা সহ আশপাশ এলাকায় ঘরে ঘরে গড়ে উঠেছে ইয়াবা ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। লাইট হাউস পাড়া ও ফাতের ঘোনা এলাকাটি এখন মাদক পল্লী হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। ওই এলাকায় রয়েছে বড় বড় ব্যবসায়ী। শুরু নুরুল আলম নয়, ওই এলাকায়

কক্সবাজার সদর মডেল থানার চৌকস এসআই আনছারুল হক অভিযান চালিয়ে লাইটহাউস পাড়ার মো. জমির প্রক্শ বার্মাইয়া জমির,পাহাড়তলি রুমালিয়ার ছড়ার নাছির উদ্দিন, বিজিবি ক্যাম্প এলাকার অজিত মলিক,মো. জয়নাল,মো. আবদুল্লাহ, মো. শাহ আলম, আলমগীর হোসেন, লাইট হাউসপাড়ার আবুল হোসেন আবুল,মো. হোসেনকে ইয়াবাসহ আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়। তারা বর্তমানে কারাগারে আছেন।

কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী বউ বাজার এলাকা থেকে আব্দু শুক্কুর , শহরের পাহাড়তলী ইসুলুর ঘোনা এলাকার মৃত আব্দু হাকিমের ছেলে শরিফ, শহরের বৈদ্যঘোনা এলাকার মৃত ফজল করিমের ছেলে মো. হাসান ওরফে ডিস হাসান, কলাতলী উত্তর আদর্শ গ্রাম এলাকার বাসা মো. দেলোয়ারকে ইয়াবা সহ আটক করে। পরে আদালতে সোর্পদ করা হলে আদালত কারাগারে পাঠান। এদের মধ্যে অনেকে জামিনে বেরিয়ে এসে দেদারছে ইয়াবা ব্যবসা চালাচ্ছে।

অপর দিকে, টেকনাফে মাদক মামলার শতকরা ৩০ ভাগ আসামি জামিনে ছাড়া পেয়ে ফের ইয়াবা ব্যবসা করছে। যার ফলে সরকার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেও তা ভেস্তে যাচ্ছে। এরপরও মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্র জানিয়েছে, ইয়াবার ট্রানজিট কক্সবাজার ও টেকনাফের গডফাদার ও চোরাই কারবারিদের অনেকেই গা-ঢাকা দিয়েছে। কেউ কেউ জীবন বাঁচাতে আত্মগোপনে চলে গেছে। ধরা পড়লে বন্দুকযুদ্ধের কবলে পড়বে তাদের মধ্যে এই আতঙ্ক বিরাজ করছে।

পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, গত রমজান মাসের শুরুতে পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিশেষ অভিযান শুরু করে। অভিযান অব্যাহত আছে।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ হাতে আটক হওয়া মাদক মামলার আসামিরা বেশির ভাগই জামিনে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। তার মতে, শতাধিক আসামি জামিনে বেরিয়ে গেছে। কিছুদিন আগে গ্রেফতারকৃত মাদক মামলার আসামি নুরুল আলমসহ অনেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে পুলিশের সামনে দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। জড়িয়ে পড়ছে সেই পুরনো মাদক ব্যবসায়।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ