শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রোহিঙ্গা শিবিরে বন্ধ হলো  ৪১ এনজিও’র কার্যক্রম! নিষিদ্ধ ঘোষিত এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফ্রেন্ডশিপ, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, আল মারকাজুল ইসলাম, স্মল কাইন্ডনেস বাংলাদেশ, ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন, গ্রামীণ কল্যাণ, অগ্রযাত্রা, নেটওয়ার্ক ফর ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস অ্যান্ড রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশন, ঘরনী, ইউনাইটেড সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট, পালস, মুক্তি, বুরো-বাংলাদেশ, এসএআর, আসিয়াব, এসিএলএবি, এসডব্লিউএবি, ন্যাকম, এফডিএসআর, জমজম বাংলাদেশ, আমান, ওব্যাট হেলপার্স, হেল্প কক্সবাজার, শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া কাসিমুল উলুম অরফানেজ, ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল অ্যান্ড হিউম্যান অ্যাফেয়ার্স, লিডার্স, লোকাল এডুকেশন অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন অব জোনাল অ্যাপ্রোচ ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান এইড অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশন, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিশ, হোপ ফাউন্ডেশন, ক্যাপ আনামুর, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইনকরপোরেশন, গরীব, এতিম ট্রাস্ট ফাউন্ডেশনসহ কয়েকটি এনজিও।

৩৬ হাজার কোটি টাকায় মাতারবাড়িতে নির্মিত হবে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

  • সময় শনিবার, ২২ জুন, ২০১৯
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে
  •  
  •  
  •  
  •  

আলোকিত রিপোর্ট:

এবার ৩৬ হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হবে। ইতোমধ্যেই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ থেকে সরে আসার প্রক্রিয়ায় রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নের চেষ্টা চলছে। শিগগিরই এ ব্যাপারে চুক্তি স্বাক্ষর হবে বলে বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র মতে, মাতারবাড়ীতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ হবে আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে। মাতারবাড়ী ইউনিয়নের ১ হাজার ৪১৪ একর জমির ওপর এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে ঋণসহায়তা হিসেবে জাপান সরকারের দেয়ার কথা ২৮ হাজার ৯৩৯ কোটি ৩ লাখ টাকা। বাকি ৭ হাজার ৪৫ কোটি ৪২ লাখ টাকার জোগান দিচ্ছে সরকার। সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে বাস্তবায়নাধীন যে ১০টি প্রকল্প রয়েছে, তার মধ্যে ব্যয়ের বিবেচনায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরই রয়েছে মাতারবাড়ীর এই প্রকল্পটি।

দরপত্র প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই ২০১৬ সালের জুলাইয়ে গুলশানের হলি আর্টিজান হামলায় জাপানি প্রকৌশলীসহ ১৭ বিদেশী নিহত হওয়ায় সেই দরপত্র প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়। পরে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে জাপানি কনসোর্টিয়াম সুমিতোমো করপোরেশন, তোশিবা করপোরেশন ও আইএইচআই করপোরেশনের সঙ্গে চুক্তি করে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল)।

পরিবেশ ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনায় প্রকল্পের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে জাইকার। এ নীতিমালা অনুযায়ী, পরিবেশ ও সমাজের ওপর প্রভাব বিবেচনায় প্রকল্পগুলোকে চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। জাইকার সরাসরি অর্থায়ন করা প্রকল্পগুলোকে এ, বি ও সি শ্রেণী এবং তৃতীয় কোনো সংস্থার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা প্রকল্পগুলোকে ভাগ করা হয় ফিন্যান্সিয়াল ইন্টারমিডিয়ারি (এফআই) শ্রেণীতে। পরিবেশ ও সমাজের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে এমন প্রকল্পগুলোকে ‘এ’ শ্রেণীভুক্ত করা হয়েছে নীতিমালায়। মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পটিও রয়েছে ‘এ’ শ্রেণীতে। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক জাপান সফরকালে চারটি প্রকল্পের উন্নয়নসহায়তা চুক্তি সই হলেও শেষ পর্যন্ত বাদ পড়েছে মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প। কিন্তু তার পরও আশা ছাড়েনি বিদ্যুৎ বিভাগ।

অবশ্য এই প্রকল্পটিতে জাইকার অর্থায়ন পাওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস। তিনি বলেন, মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়ে জাপান এখনো নেতিবাচক কিছু জানায়নি। এছাড়া অর্থায়নের বিকল্প আরো উৎস রয়েছে। ফলে জাপান অর্থায়ন না করলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

সূত্রমতে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) কক্সবাজারের মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নেয় ২০১৫ সালে। প্রাথমিকভাবে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ২০২২ সালের জুনের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তী সময়ে তা সংশোধন করে ২০২৪ সালের জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। যদিও গত চার বছরে প্রকল্পের অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ১৯ শতাংশ। ২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৯০ কোটি টাকা, যা মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ের ১৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

Comments Below
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ