শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২০, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দৈনিক আলোকিত উখিয়ার অনলাইন পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। আপনার চারপাশে চলমান অনিয়ম দুর্নীতির খবর আমাদের জানান। দেশকে বাচাঁন দেশকে ভালবাসুন

কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলা গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল এ ইয়াহিয়া চৌধুরীর ৪০,০০০০/৫০,০০০০ টাকা চাদাবাজি।

  • সময় বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৯
  • ১৪৮৮ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলা গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল এ ইয়াহিয়া চৌধুরীর ৪০,০০০০/৫০,০০০০ টাকা চাদাবাজি।

ইয়াহিয়া চৌধুরী এখন গর্জনিয়া ইউনিয়নে চাদাবাজির স্বর্গরাজ্য হিসেবে গড়ে তুলেছে তার নিজস্ব বাহিনী দিয়ে।
জানা যায় ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড এ রাস্তার যাতায়াত রত সব পন্য বুঝায় গাড়িতে ইয়াহিয়া চৌধুরী কে চাদা দিতে হয়!
পার্শ্ববর্তী বাইশারী বাজার থেকে গর্জনিয়ার প্রধান যাতায়াত পথ হওয়ায় সকল গাড়ি অত্র পথে যাতায়াত করে, ফলে ইয়াহিয়া চৌধুরী কে চাদা দিয়ে পন্য বুঝায় গাড়ি চলতে হয়, ভুক্তভোগী গর্জনিয়া ইউনিয়নের এক বাসিন্দা ( নাম প্রকাশ না করান ইচ্ছুক ) গেল সাপ্তাহে রাস্তা দিয়ে বসতবাড়ির কাঠ নিয়ে চৌ মিল থেকে বাড়িতে ফেরার পথে ইয়াহিয়া চৌধুরীর সামনে পড়ে, ইয়াহিয়া চৌধুরী চাদা চাইলে কাঠের মালিক চাদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে, ইয়াহিয়া চৌধুরীকে চাদা না দেওয়ার কারণে ইয়াহিয়া চৌধুরী ও তার বাহিনী নিয়ে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র দিয়ে বেধরক পিঠুনি দিয় পরে কাঠ বুঝায় গাড়িটি ইয়াহিয়া চৌধুরী নিয়ে যায়।

গেল সংসদ নির্বাচনের পর, কক্সবাজার ৩ আসনের মাননীয় এমপি কমল নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার প্রায় ২০০/৩০০ পরিবারের কাছ থেকে মাননীয় এমপির কাছ থেকে বিভিন্ন ভাতা /ভিজিডি /বয়স্ক ভাতা /অনুদান দেওয়ার কথা বলে ইয়াহিয়া চৌধুরী প্রায় ৪০,০০০০-৫০,০০০০ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বলে ভুক্তভোগীরা জানায়।

স্থানীয়রা তাদেরকে দেওয়া ইয়াহিয়া চৌধুরীর প্রতিশ্রুতির (বিভিন্ন অনুদান /ভাতার) কথা বল্লে রাগান্বিত হয়ে ইয়াহিয়া চৌধুরী বলেন, হাত পা ভেঙে ঘরে বসিয়ে রাখব, কোন সাহসে আমার কাছে এসব বলতে আসছিল? আমার এলাকার থাকতে হলে আমাকে চাদা দিয়ে থাকতে হবে। নতুবা এলাকা ছেড়ে চলে যা এভাবে হুমকি দুমকি দেয় বলে ভুক্তভোগীদের মধ্যে পঙ্গু আলী আকবরের স্ত্রী জানান।
ভুক্তভোগী, ছমুদা বেগম বলেন, আমি মাদ্রাসায় রান্না বান্না করে খাই, আমার ৪টা মেয়ে, আমি কষ্ট করে তাদেরকে চালায়, এই অবস্থায় আমার থেকে ২০০০ হাজার টাকা ভিজিডি দেবে বলে নিয়ে গেছে, কিন্তু আজও পর্যন্ত কিছুই পেলাম না।

ছমুদা খাতুন আরও বলেন, আমি সবসময় আওয়ামী লীগ করি, আওয়ামী লীগ এ ভোট দিই বলে অনেকেই আমাকে ঘৃণা করে, আমি কমল কে ভোট দিয়েছি, তাই আমি এমপি কমলের কাছে ইয়াহিয়া চৌধুরীর বিচার চাই।

ভুক্তভোগী ছকিনা বলেন, আমি থাকার মত জায়গায় ও নাই, অন্যজনের ঘরের বারান্দায় থাকি, আমার থেকে ও আমার মা থেকেও ২০০০ টাকা করে ৪০০০ টাকা নিয়েছে ইয়াহিয়া ভিজিডি দেবে বলে। এখন ভিজিডি বা টাকা চাইতে গেলেই হুমকি দেয় মামলা দেবে বলে।

ভুক্তভোগী ছেনু আরা বেগম জানান, আমার ৩ সন্তান নিয়ে আমি খুবই কষ্ট করে বন থেকে লাকড়ি এনে তা বিক্রি করে খাই, আমার থেকেও একইভাবে ১০ টাকা চাউলের কার্ড দেবে বলে টাকা গুলো নিয়েছে ইয়াহিয়া চৌধুরী।
আমি দৈনিক ১ বেলার ভাত জোগাড় করতেও কষ্ট হয়।

আমি কমলের কাছে ইয়াহিয়া চৌধুরীর বিচার চাই বলে অভিযোগ করেন।

এভাবে শত শত পরিবারের কাছ থেকে সে টাকা নিয়েছে। অথচ সে এলাকার মেম্বার চেয়ারম্যান কিছুই নয়।

এ ব্যপারে এলাকার মেম্বার নুরুল ইসলাম কে বলা হলে তিনি ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টা আমি শুনেছি এবং কয়েকজন আমার কাছে বিষয়টা বলছেন, তবে আমাদের এখানে করার কিছুই নাই, এলাকার সবাই তার কাছে জিম্মি।

গর্জনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল কে 01863113355 নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে, তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি।

Comments Below
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ
Shares